শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতায় বিএনপি এবার ভিন্ন পথে চন্দনপুরা মসজিদ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত চট্টগ্রামের অতি প্রাচীন সৌন্দর্য ঢাকাস্থ পাংশা-কালুখালী উপজেলা সমিতির উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা ও ছাত্রবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম পরিসংখ্যানবিদ ও শ্রেষ্ঠ দাবাড়ু, সাহিত্যিক ও গবেষক কাজী মোতাহার হোসেনের জন্মদিন আজ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত কুতুব শাহ মসজিদ দলে ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিএনপির কঠোর বার্তা বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি যুবদলের ৩১ সদস্যের কমিটি গঠনের পরেরদিন ১৬ নেতার পদত্যাগ বিএপি’র সরকারে থাকছে না ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেউই ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হওয়ার শঙ্কা, ইরানে হামলা বন্ধ করল ট্রাম্প

মুন্নী সাহা সত্যিই কি শেখ হাসিনার মতো জানেন না তার অপরাধ কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

মুন্নী সাহারা সত্যিই কি সাবেক ফ্যসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো জানেন না তার অপরাধ কি? দুই বছরেরই নিজেদের কৃতকর্ম বিস্মৃত হয়েছেন? না কি মনে করতে চাননা। একজন সংবাদকর্মী হয়ে ব্যাংকে শত শত কোটি টাকা কোত্থেকে পেলেন? বাংলাদেশের গণমাধ্যমের যে অবস্থা তাতে তো বেতন অন্যান্য সুবিধা যোগ করলে তিরিশ বছরে তার ব্যাংকে কোটি টাকা থাকার কথা নয়। সেখানে তার ব্যংক হিসাবে কয়েকশত কোটি টাকা দুদক পেলো কিভাবে? কেনইবা তার একাধিক হিসাব ফ্রিজ করে দেয়া হলো। আছে কি কোনো জবাব মুন্নী সাহার কাছে?

এবার মুন্নী সাহার সাংবাদিকতা প্রসঙ্গে আসি। তিনি তার ক্যারিয়ারে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সাংবাদিকতা করেছেন কত বছর? তিনি তার টেলিভিশন সাংবাদিকতার গোটা ক্যারিয়ারের বেশীরভাগ সময় সাংবাদিকতার নামে একটা গোষ্ঠী, এক আদর্শ আর একটা দলের পক্ষে আক্টিভিজম করে গেছেন।

তার বিতর্কিত সাংবাদিকতার বহু উদহরণ আছে। সব বাদ দিলেও পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় সৈনিকদের যে সাক্ষাতকার প্রচার করেছিলেন, সেটা ছিলো বিদ্রোহকে উস্কে দেয়ার মত। তিনি প্রকান্তরে, সাংবাদিকতার নামে
সৈনিক অফিসারদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলেছিলেন।

মুন্নী সাহা বলেছেন, তাকে দোসর ট্যাগ দিয়ে সাংবাদিকতা করতে দেয়া হয়নি। মুন্নী সাহারা এখন এসব ভুলে সবার সহানুভূতি পেতে চান। অথচ মুন্নী সাহারা হাসিনার ষোল বছরে কিভাবে গণভবনে হাসিনার সাথে জড়াজড়ি করে ছিলেন, সেসব ছবি এখনও আছে।

হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কিভাবে জিয়া পরিবারকে বিষোদগার করতে হাসিনাকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশ্ন করতেন। দেশের মানুষ সেসব ভুলে যায়নি। আমরাও ভূলিনি।

আচ্ছা, মুন্নী সাহা এক টাকার একটা অনলাইন কাগজের সম্পাদক হয়েছিলেন। তিনি জবাব দেবেন, সেই এক টাকার কাগজের ফিনান্স করেছিলেন কে?

মুন্নী সাহা হয়তো বলবেননা, সেই কাগজের ফিনান্স করেছিলেন হাসিনা পুত্র জয়। এরপরেও মুন্নী সাহা কি বলবেন? তাকে যারা দোসর ট্যাগ দেয়, সেই ট্যাগিংটা ভুল ছিলো? মুন্নী সাহাকে জনতা কারওয়ান বাজার থেকে ধরে পুলিশে দিয়েছিলো।

মুন্নী সাহা, হিন্দুস্থান হাই কমিশনের সুপারিশে তিন ঘন্টার মধ্যে ছাড়া পেয়েছিলেন। এত এত অপরাধের পরেও মুন্নী সাহাকে একদিনের জন্য জেলে যেতে হয়নি। মুন্নী সাহারা কি এখন ধরা ছোয়ার বাইরেই থাকবেন? দিনের পর দিন এতো এতো অপরাধ করেও কি তার কোন সাজা হবে না?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ নাহিন খান
raytahost-tmnews71