
আবারও আবাসিক এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনে ভস্মীভূত হয় দুটি কারখানা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ডেমরার ইমো রোটো ফ্লাক্সি ব্যাগ কারখানায় কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। পরে বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গ পলিথিনের কেমিক্যাল পড়লে সূত্রপাত হয় আগুনের। এরপর কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় আগুন। গুরুতর আহত হন অন্তত দুজন। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ডেমরা স্টেশনের দুটি ইউনিট। পরে সিদ্দিক বাজার ও খিলগাঁও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে যোগ দেয় আরও ছয়টি ইউনিট। দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।
প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে দাবি কারখানার মালিকদের।
ঢাকা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ইমো রোটো ফ্লাক্সি ব্যাগ কারখানা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ওয়াটার লিংক নামের আরও একটি কারখানায় বাতাসে আগুন ছড়িয়ে পড়লে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই কারখানাতেই হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও কিডনির জন্য ক্ষতিকারক কেমিক্যাল পদার্থ ছিল। ছিলো না প্রয়োজনীয় অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম।
আবাসিক এলাকায় এ ধরনের কারখানার অনুমোদন পাওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে নজমুজ্জামান বলেন, কীভাবে ঘটনার শুরু তা খতিয়ে দেখবে ফায়ার সার্ভিস।