বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দলে ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিএনপির কঠোর বার্তা বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি যুবদলের ৩১ সদস্যের কমিটি গঠনের পরেরদিন ১৬ নেতার পদত্যাগ বিএপি’র সরকারে থাকছে না ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেউই ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত শেষ হওয়ার শঙ্কা, ইরানে হামলা বন্ধ করল ট্রাম্প কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি, ভাইয়া ব্রডকাস্টের এজিএম হলেন রাকিবুল ইসলাম; সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা আগরতলায় ভারত–বাংলাদেশ গণমাধ্যম সম্পর্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক গোলটেবিল বৈঠক জামিল-মুনমুনের নতুন নাটক ‘আজব শহর’ নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতার কথা জানালেন জোহরান মামদানি প্রবাসের ব্যস্ততায়ও বাংলার মাটির সুরে শম্পা দেওয়ান

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের জানাজা সম্পন্ন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকালে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজার আয়োজন করা হয়।

বুধবার বিকালে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন মাহমুদুল হাসান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এ সময় মাহমুদুল হাসানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসান প্রমুখ।

এ সময় সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে মাহমুদুল হাসানের সন্তোষের বাসায় তাকে দাফন করা হয়।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মাহমুদুল। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে। ২০১২ সালে জাতীয় পার্টির এমপি আবুল কাশেমের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর উপনির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন নাই। ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

এছাড়াও তিনি ১৯৮৯-১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৩ সালে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নামে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ নাহিন খান
raytahost-tmnews71